কলকাতা শহরের একজন ব্যর্থ লেখক অর্জুন। গ্রামীণ বাংলার প্রেক্ষাপটে একটি গা ছমছমে ভৌতিক গল্পের অনুপ্রেরণার সন্ধানে সে সুদূর সুন্দরবনের এক প্রায় অপরিচিত গ্রাম মগরথান-এ পাড়ি দেয়। প্রথম দৃষ্টিতে মগরথানকে একটি
সাধারণ, শান্ত গ্রাম বলেই মনে হয়... তবে সেখানে এক অদ্ভুত নীরবতা যেন চাপা উত্তেজনা সৃষ্টি করে রেখেছে।
অর্জুন গ্রামের গভীরে যেতেই রহস্যের জাল ঘন হতে থাকে। কেন অতিথি নিবাসের মালকিনের পুত্রবধূকে দেখে মনে হয় সে যেন জীবন্ত নয়, বরং এক মৃতের মতো আচরণ করে? গ্রামের মানুষজন কেন জলাভূমির কাছে পরিত্যক্ত জেটিটি এড়িয়ে চলে? অন্যদিকে, গোপাল বাবু নামে এক বৃদ্ধের দেখা মেলে, যিনি মৃত মানুষদের কাছ থেকে সংগৃহীত জিনিসপত্রের এক আজব সংগ্রহশালা চালান। কিন্তু কীভাবে তিনি মৃতদের মুখের এত সঠিক প্রতিরূপ তৈরি করেন? আর প্রতি বছর মেলার রাতে এই গ্রাম থেকে কেন কিছু মানুষ রহস্যজনকভাবে উধাও হয়ে যায়?
অর্জন কি পারবে এই অদ্ভুত ঘটনার পিছনে কোনো বৈজ্ঞানিক কারণ খুঁজে বের করতে? মগরথানের আবহাওয়া বা পরিবেশের কোনো অজানা উপাদান কি সেখানকার মানুষকে উন্মাদ করে তুলছে? নাকি এই আপাত শান্ত গ্রামের গভীরে লুকিয়ে আছে আরও ভয়ঙ্কর, গভীর এবং অন্ধকার কোনো রহস্য, যা সুন্দরবনের মাটি আর জলের মতো ভয়ংকর ও নিগূঢ়?
...