সম্ভাব্য প্রকাশ: ১৪ই নভেম্বর।
১৯৪৭ সাল। বাংলা ও পাঞ্জাবের পার্টিশন নিয়ে কত কথা হয়। অথচ সিন্ধের বিষয়ে যেন ইতিহাস বড় বেশি নীরব! বাংলা বা পাঞ্জাবের মতো সিন্ধকে দু'টুকরো করা হয়নি। বরং গোটা প্রদেশটাই চলে গিয়েছিল পাকিস্তানে। ভিটেমাটি ছেড়ে চলে আসা মানুষগুলোর জন্য কাঁটাতারের এপারে আরেকটা সিন্ধ ছিল না। ছিল কেবল অন্যের শহরে, অন্যের ভাষার মধ্যে নতুন করে বাঁচতে শেখার লড়াই! বহু বছর পরে বেনারসের ঘাটে খুন হলেন বলিউডের নামী চিত্রতারকা মধুরা আদবানি। মৃত্যুর আগে নাকি করাচি গিয়েছিলেন তিনি। সেই সফরের সঙ্গে তাঁর খুনের সম্পর্ক খুঁজতে গিয়ে খুলে যেতে থাকে দেশভাগের এক বিস্মৃত অধ্যায়। কাশীর প্রাচীন গলি, চৌষট্টি ঘাটের ইতিহাসে ছড়িয়ে রয়েছে বহু সূত্র। উঠে আসে হটী বিদ্যালংকারের কথা, রাজা প্রতাপাদিত্যের ইতিহাসও। সুদূর কাশ্মীরের শারদাপীঠ থেকে সিন্ধের ফেলে আসা ভিটে, অতীতের খোঁজ যত এগোয়, তত জটিল হয়ে ওঠে বর্তমানের হত্যারহস্য! সিন্ধ ছেড়ে আসা কয়েকটি মানুষের জীবনে কী ঘটেছিল? কেনই বা এত বছর পরে তাদের হারিয়ে যাওয়া অতীতের খোঁজ জরুরি হয়ে উঠল কাশীর এক হাই প্রোফাইল খুনের তদন্তে? দেশভাগের উচ্ছেদ, মেয়েদের পরিচয় ও উত্তরাধিকার, বেঁচে থাকার জেদ আর ইতিহাসের আড়ালে চাপা পড়ে থাকা মানুষের কথা নিয়ে রুদ্র-প্রিয়মের এই উপন্যাস, কাশীতে ডুবছে করাচির চাঁদ! -
Weight700 g
-
BindingHardcover
-
No. of Pages350
-
Publishing Year2026
-
LanguageBengali
-
Publisher