BOOK PUBLISHED ON: November 3, 2026
সোমনাথ মন্দিরে পুজো দিতে গিয়ে মন্দিররক্ষীদের হাতে লাঞ্ছিত হয় শিবভক্ত নিষাদ তরুণ চরণদাস। প্রতিশোধের আক্রোশে পীর জালালুদ্দিনের চিঠি নিয়ে সে পৌঁছোয় গজনির সুলতান সাবুক্তিগীন ও শাহজাদা মামুদের কাছে? তারপর? এ আমার এ তোমার পাপ-ইকি ধ্বংস করবে পরাক্রান্ত শাহীরাজ্যকে?তুর্কি হামলার আশঙ্কায় বিপন্ন গয়া-উদ্দন্তপুর। ফলত বিপন্ন নালন্দা মহাবিহারও। কী করবেন মহাচার্য শ্রীজ্ঞান রক্ষিত? মহারাজ গোবিন্দপাল কি পারবেন কোনো প্রতিরোধ গড়ে তুলতে? না কি অস্তাচলের আলো-য় হারিয়ে যাবে সহস্রাধিক বছরের নিরবচ্ছিন্ন জ্ঞানসাধনার ঐশ্বর্য, পরম্পরা ও উত্তরাধিকার?
নিষ্ঠুর পোর্তুগিজ জলদস্যু তথা দাস ব্যবসায়ী ফ্রান্সিসের কবল থেকে কন্যাসম গঙ্গামণিকে উদ্ধার করেও হারিয়ে ফেলেন ভারতপ্রেমিক ফাদার দাক্রুজ। সম্রাট শাহজাহানের নির্দেশে ধ্বংস হয় হুগলির পোর্তুগিজ ঘাঁটি। নিরপরাধ হওয়া সত্ত্বেও বন্দি হন দাক্রুজ। আগ্রায় মৃত্যুদণ্ডের অপেক্ষায় অপেক্ষমান ফাদারের সঙ্গে দেখা হয় যার, কৃষ্ণকলি কি আমরা তারেই বলি?
ছিয়াত্তরের মন্বন্তরে ছারখার বাংলায় পেটের দায়ে নিজের মেয়েকে মহাজনের হাতে তুলে দিতে বাধ্য হয়েছিল বল্লভদাস। তার মতোই শোষিত হাজার হাজার ভুখা মানুষের হাতে, জমিদার আর ইংরেজদের বিরুদ্ধে মুক্তি তরবারি তুলে দিলেন সন্ন্যাসী-ফকির বিদ্রোহের অন্যতম নায়ক মজনু শাহ!
১৮৫৭-র ব্যারাকপুরে ফাঁসির মঞ্চে জীবনের জয়গান গেয়ে বিদ্রোহ বহ্নি প্রজ্বলিত করলেন মঙ্গল পাণ্ডে। সেই আত্মবলিদান জাগিয়ে তুলল সিপাহী-সাধারণ মানুষ নির্বিশেষে আপামর ভারতবাসীকে।
সিধু-কানুর নেতৃত্বে অরণ্যের অধিকার আদায় করে নিতে বদ্ধপরিকর সাঁওতালেরা। তাদের বীরত্ব আর গেরিলা রণকৌশলে পিছু হটতে বাধ্য হল অপরাজেয় ব্রিটিশ ফৌজ।
শিবাজি এসেছেন এই বাংলায়? আগ্রায় ঔরঙ্গজেবের বন্দি শিবির থেকে নিষ্ক্রান্ত হয়ে, ছদ্মবেশে কোন ঘুরপথে মহারাষ্ট্রে ফিরেছিলেন শিবাজি?
১৭৮০ সালে কলকাতার চিনাবাজারের জনৈক মি, ডানকানের বাড়ি থেকে বারো বছরের একটি ভারতীয় বালক ফেরার হয়। তারপর কী ঘটেছিল ইন্দে নামের সেই ক্রীতদাস-এর ভাগ্যে?
বারবার ছদ্মবেশ বদলে ব্রিটিশ পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে কপূরের মতো উবে যেতেন দুঃসাহসী যে বিপ্লবী, তিনিই রাসবিহারী বসু। আজাদ হিন্দ বাহিনীর নেতৃত্বের ভার তিনিই তুলে দিয়েছিলেন সুভাষচন্দ্রের হাতে। কিন্তু না তাঁর কথা, না তাঁকে আশ্রয় দেওয়া এক অসমসাহসী জাপানি পরিবারের কথা- কেউ মনে রাখেনি।
জেনারেল ডায়ারের নির্দেশে জালিয়ানওয়ালাবাগে গুলি চালাতে বাধ্য হয়েছিল গোর্খা রেজিমেন্টের সদস্য রাজেন্দ্র গুরুং। ক্ষমাহীন সেই পাপের প্রায়শ্চিত্ত কীভাবে করলেন তিনি?
মুম্বইয়ের তলোয়ার জাহাজে আচমকা জ্বলে উঠেছিল নৌবিদ্রোহের যে অগ্নিস্ফুলিঙ্গ, একের পর এক জাহাজে ছড়িয়ে পড়ে তা-ই হয়ে উঠল ব্রিটিশ রাজের বিরুদ্ধে ভারতীয়দের স্বাধীনতার শেষ যুদ্ধ।
ভারতের মাটিতে স্বাধীনতার পতাকা আজাদ হিন্দ ফৌজ প্রথম উড়িয়েছিল যেখানে, মণিপুরের সেই মৈরাং-এ এক ফৌজি আজও দেশনায়কের অপেক্ষায়। কোটি কোটি ভারতবাসীর মতো তাঁরও অটল বিশ্বাস- তিনি আসবেন।
-
Weight500 g
-
No. of Pages300
-
LanguageBengali
-
BindingHardcover
-
Publishing Year2026
-
ISBN978-81-69210-33-1
-
Publisher