হিউম্যান ট্র্যাফিকিংয়ের এক অন্ধকার জগতে আপনাকে স্বাগত। স্কিন ট্র্যাফিকিং। যেখানে অল্প বয়সি মেয়েদের চামড়া ছাড়িয়ে বিক্রি করে দেওয়া হয় দেশে-বিদেশে। শিশু-কিশোর-কিশোরীদের মাংস থেকে চামড়া— সব কিছুই যেখানে ব
ক্রয়যোগ্য। তাঁকে বলা হয় ‘ডক্টর ডেভিল’। দক্ষতার সঙ্গে মানুষের চামড়া ছাড়িয়ে নেন তিনি। এর পরে সেই চামড়া বিক্রি হয়ে যায় দেশে-বিদেশে। কে এই ডক্টর? নেপালের এক গ্রাম থেকে আসা তরুণীটি জড়িয়ে গিয়েছিল এক ভয়ঙ্কর মাকড়শার জালে। সেখান থেকে কি পালাতে পারবে সে? কলকাতার এক নামী স্কুলের ছাত্রীকে ঘিরে তৈরি হচ্ছে মারাত্মক এক চক্রান্ত। কী আছে কিশোরীটির ভাগ্যে? ভয়াল, ভয়ঙ্কর এক জগৎ! যেখানে মানুষ মানে শুধুই পণ্য। বিলিয়ন ডলার এই ইন্ডাস্ট্রির মাথায় যারা বসে আছে, তাদের হাতেই দেশের চাবিকাঠি। এই ব্যবসা তাই বন্ধ করবে কে? তবু কেউ কেউ লড়াই করেন। যেমন, হিউম্যান ট্র্যাফিকারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করা এক অগ্নিকন্যা— পাঞ্চালী রায়। যেমন সিআইডি অ্যান্টি হিউম্যান ট্র্যাফিকিং ইউনিটের রুদ্রানী সিংহ। এবং, আরও কেউ কেউ। এই লড়াইয়ে তাঁরা যদি হেরে যান, তা হলে যে অপরাজিতা, অজন্তার মতো মেয়েরা হারিয়ে যাবে চিরতরে। অসম এই লড়াই কি জিততে পারবেন পাঞ্চালীরা? শক্তিরূপেণ— মুম্বইয়ের কোনও এক জায়গা থেকে শুরু হওয়া কাহিনি ছড়িয়ে পড়েছে কলকাতা, লস অ্যাঞ্জেলেস, দুবাই, প্যারিস, সুরাটে। যে কাহিনির অন্ধকার গলিতে হাঁটতে হাঁটতে চেনা লোক অচেনা হয়ে যায়, অচেনা লোক চেনা। সাহস আছে আপনার এই নরকে পা রাখার?
...