Categories
Publishers
- Patrabharati
- Ananda Publishers
- Dey's Publication
- Mitra & Ghosh
- Deep Prakashoni
- Antareep Publication
- Parul Prokashoni
- Shabdo Prokashon
- Book Farm
- Lipighar Publisher
- Bengal Troika
- Dhansiri
- Lalmati
- Suprokash
- Mayakanan
- Gangchil
- Shopizen Bangla
- Saptarshi Prakashani
- Kalpabiswa
- Briti Prakashani
- Shalidhan
- Book Look Publishing
- Hawakal Publishers
- HarperCollins Publishers Ltd
- Kochi Pata
- Deep Sahity Patrika
- Prativash publication
- Biva Publication
- Black Letters
- Smell of Books Publication
- Khoai Publishing House
- Boibondhu
- Aranyaman
- Karuna Prakashani
- Basak Book Store Pvt Ltd
- Dev Sahitya Kutir
- Abhijan Publishers
- Anustup Prakashani
- Ababhash
- Sahityam
- The Cafe Table
- Nairit Prakashan
- Readers Express
- Bahomaan
- The Antonym Collection
- Rekhapat Publications
- Boibhashik
- Patrapath Prakashani
- Ebarot Prakashani
- Montage
- Bhasa Publishing House
- Akharkatha Publication
- Mathamotar Daptar
- Pritam Basu
- Ghare Baire Publication
- Mandas Publication
Filter by Price
Filter by Rating
DR. MADHUSUDHAN PAL Books
1 Books
DR. MADHUSUDHAN PAL
মস্তিষ্কের এক অর্ধাংশ জুড়ে ১৯৬৭ সাল থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে নিরলস পড়াশোনা ও তথ্য সংগ্রহে নিবেদিত এক গবেষক। ১৯৯০ সালের পর নেতাজি-সংক্রান্ত প্রায় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি মামলায়, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট স্তরে, তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন। জাস্টিস মুখার্জি কমিশনের কার্যক্রমেও তিনি প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, তিনিই একমাত্র ভারতীয় চিকিৎসক যিনি আইনসম্মতভাবে জাপানের মিয়াজাকি দ্বীপে কমিশনের সামনে ডা. ইয়োশিমিকে জেরা করেছিলেন। অন্যদিকে, তাঁর মস্তিষ্কের আর এক অংশ জুড়ে ছিল বিজ্ঞান ও চিকিৎসাশাস্ত্রের সাধনা। খড়গপুর আইআইটির ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে এমবিবিএস, এমএস এবং পরবর্তীতে কার্ডিওথোরাসিক সার্জারিতে পোস্ট ডক্টরেট এম.চি. প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এন.আর.এস. মেডিক্যাল ... মস্তিষ্কের এক অর্ধাংশ জুড়ে ১৯৬৭ সাল থেকে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসুকে নিয়ে নিরলস পড়াশোনা ও তথ্য সংগ্রহে নিবেদিত এক গবেষক। ১৯৯০ সালের পর নেতাজি-সংক্রান্ত প্রায় সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ আইনি মামলায়, হাইকোর্ট ও সুপ্রিম কোর্ট স্তরে, তিনি প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে যুক্ত ছিলেন। জাস্টিস মুখার্জি কমিশনের কার্যক্রমেও তিনি প্রত্যক্ষ ভূমিকা পালন করেন। বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য, তিনিই একমাত্র ভারতীয় চিকিৎসক যিনি আইনসম্মতভাবে জাপানের মিয়াজাকি দ্বীপে কমিশনের সামনে ডা. ইয়োশিমিকে জেরা করেছিলেন। অন্যদিকে, তাঁর মস্তিষ্কের আর এক অংশ জুড়ে ছিল বিজ্ঞান ও চিকিৎসাশাস্ত্রের সাধনা। খড়গপুর আইআইটির ছাত্রজীবন থেকে শুরু করে এমবিবিএস, এমএস এবং পরবর্তীতে কার্ডিওথোরাসিক সার্জারিতে পোস্ট ডক্টরেট এম.চি. প্রতিটি ক্ষেত্রেই তিনি কৃতিত্বের স্বাক্ষর রেখেছেন। এন.আর.এস. মেডিক্যাল কলেজে টানা ১৬ বছর থাকার পর তিনি আর.জি. কর মেডিক্যাল কলেজ, আই.পি.জি.এম.ই.আর এবং মেডিক্যাল কলেজের কার্ডিওথোরাসিক সার্জারি বিভাগে শিক্ষক-চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। কর্মজীবনের শেষ অধ্যায়ে তিনি অধ্যাপক পদ থেকে অবসর গ্রহণ করেন। সাংগঠনিক ক্ষেত্রেও তাঁর ভূমিকা ছিল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একসময় তিনি ওয়েস্ট বেঙ্গল হেলথ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সাংগঠনিক সম্পাদক ও পরে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এ ছাড়াও ATCVSWB (Association of Cardiothoracic and Vascular Surgeons of West Bengal)-এর সভাপতি ছিলেন। ইন্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের অন্যতম সহ-সভাপতি হিসেবেও তিনি দায়িত্ব সামলেছেন এবং বিভিন্ন পেশাগত ও সামাজিক সংগঠনের সঙ্গে সক্রিয়ভাবে যুক্ত থেকেছেন।