রাঁচির কুয়াশাভেজা রাতে যখন হাড়কাঁপানো হাওয়া বয়, ঠিক তখনই এক মরণ চিৎকার বাতাসকে চিরে দিয়ে মিলিয়ে যায়। শিল্পপতি আশুতোষ চৌহানের একমাত্র ছেলের মৃত্যু ঝাড়খণ্ড প্রশাসনের ভিত নাড়িয়ে দেয়। কিন্তু এই মৃত্যু কি শুধুই একটি দুর্ঘটনা? নাকি একটি পরিকল্পিত সংকেত?
দুই বছরের দীর্ঘ নীরবতা ভেঙে আবার ফিরছে সে। আইপিএস মানভী বাজওয়া চ্যাটার্জী। যার ডায়েরির পাতায় গত দু-বছর ধরে জমাট বেঁধে আছে এক জোড়া ব্যক্তিগত ক্ষতের লাল দাগ। যে ব্যক্তিগত ক্ষত তাকে তাড়িয়ে বেড়িয়েছে এতদিন, আজ সেই ক্ষতবিক্ষত অতীতই হয়ে উঠছে তার সবচেয়ে বড় ক্লু। একটি খুনি, সাতটি শহর, একটি অদৃশ্য জাল। রাঁচির গলি থেকে রাজস্থানের তপ্ত মরুভূমি, গয়ার প্রাচীন মায়াজাল থেকে খড়গপুরের ইন্ডাস্ট্রিয়াল করিডোর। এখানেই শেষ নয়, তদন্তের সুতো দিল্লি পেরিয়ে পৌঁছে যায় বার্লিন থেকে সার্বিয়ার বরফঢাকা সীমান্তে। প্রতিটি মোড়ে মানভীর জন্য অপেক্ষা করছে নিখুঁতভাবে পাতা ‘ডেথ ট্র্যাপ’। লড়াইটা কি শুধুই একজন খুনিকে ধরার? নাকি কোনো এক অদৃশ্য জাদুকর দাবার গুটির মতো চাল দিচ্ছে মানভীকে নিয়ে? প্রতিটি ধাপে মানভী বুঝতে পারে, সে খুনিকে খুঁজছে না, বরং খুনিই তাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছে এক অন্ধকার গহ্বরে।
শত্রুকে মারতে হলে কি শত্রুর চেয়েও ভয়ংকর হয়ে উঠতে হয়? মানভী কি পারবে তার সেই চিরশত্রু বা ‘নেমেসিস’-এর মুখোমুখি দাঁড়াতে? নাকি বিচার পাওয়ার নেশায় নিজেই হয়ে উঠবে এক ভয়ংকর নেতিবাচক শক্তি? অন্ধকার ঘনিয়ে আসছে। সত্যের চেয়েও ধারালো এক প্রতিশোধের গল্প নিয়ে সে আসছে…
-
Weight350 g
-
No. of Pages167
-
BindingHardcover
-
Publishing Year2026
-
Publisher