চিকিৎসক দম্পতি উজান এবং জাগরীর কলেজ জীবনের প্রথম দিন থেকে প্রেম। একসঙ্গে ওরা পড়াশুনো এবং বামপন্থী রাজনীতিও করেছে। পরবর্তীকালে উজান কলকাতার এক নম্বর শিশুবিশেষজ্ঞ এবং পুরোদস্তুর কর্পোরেট চিকিৎসক। জাগরী নিজেকে যুক্ত রেখেছে নবোদয় হাসপাতালের সঙ্গে, যেটির পরিচালন ক্ষমতা অতি বাম মনোভাবাপন্ন চিকিৎসকদের হাতে। ওদের একমাত্র সন্তান রোহনের হাঁপানি আছে। মধ্যবয়সে এসে উজান আর জাগরীর দাম্পত্য এসে দাঁড়িয়েছে খাদের কিনারে। বাইরে থেকে দেখলে মনে হয় মূলে আছে আদর্শগত সংঘাত, কিন্তু দু’জনেই জানে, তাদের সম্পর্ক মরে যাচ্ছে। ভালবাসা আবার খুঁজে নেওয়ার জন্যে দু’জনে পুরী বেড়াতে যাওয়ার পরিকল্পনা করে। সেই সময়েই পুরীতে আছড়ে পড়ছে সাইক্লোন ফণী।
আদর্শের, সম্পর্কের আর প্রকৃতির ঘূর্ণিঝড় থেকে উজান আর জাগরী কি বেরোতে পারবে?
বাপ-মা হারা স্বদেশ সাইমন বিশ্বাসের কাছের মানুষ বলতে দিদা কমলা আর প্রেমিকা লহমা। সঙ্গে রয়েছে জটিল অসুখ আর বিষণ্ণতা। দাদু মাইকেল কানাই বিশ্বাস ভারতবর্ষের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাসে এক উল্লেখযোগ্য নাম। হঠাৎ দাদুর ঘরে একটি ডায়েরি খুঁজে পায় স্বদেশ। ডায়েরির মালিক ভিয়েতনামে যুদ্ধ করতে যাওয়া মার্কিন সেনা, মেজর টম, যিনি একজন শল্যচিকিৎসক। কী আছে সেই ডায়েরিতে? গত শতকের সত্তরের দশকের ভিয়েতনাম যুদ্ধের নাপাম বোমা, টানেল ওয়ার, এজেন্ট অরেঞ্জ আর নতুন শতকের দুইয়ের দশকের কলকাতা শহরের জাতিবিদ্বেষ, ধর্মীয় অসহিষ্ণুতা, হিংসা কীভাবে যুক্ত হয়ে যাচ্ছে ডায়েরির সূত্র ধরে?
যুদ্ধ এবং প্রেমের টানাপোড়েনে কার জয় হচ্ছে?
-
Weight400 g
-
No. of Pages272
-
BindingHardcover
-
Publishing Year2022
-
Publisher