লালবাজারের ল্যাবরেটরিতে কর্মরতা ফরেনসিক নৃতত্ত্ববিদ আয়েশা সুলতানা। আয়েশা কেবল একজন নৃতত্ত্ববিদ নয়; সে যেন এক ম্যাজিশিয়ান। যখন কোনও মৃতদেহ গলে-পচে, খণ্ডিত হয়ে বা পুড়ে গিয়ে শনাক্তকরণের অসাধ্য হয়ে ওঠে, তখনই আয়
েশা শৈল্পিক দক্ষতায় খুঁজে নেয় সব প্রশ্নের উত্তর। কান পেতে সে যেন মৃতদের গান শুনতে পায়। তার স্থিতধী মন ও আধুনিক বিজ্ঞান; উন্মোচন করে ফেলে মৃত্যুর আগের শেষ মুহূর্তের সমস্ত অজানা তথ্য। তার সঙ্গে সঙ্গত দেন লালবাজার স্পেশাল ব্রাঞ্চের অফিসার ঋজু সামন্ত।
সমাজের প্রান্তিক শ্রেণি থেকে উঠে আসা আয়েশাকে সহ্য করে নিতে হয় এই সমাজের কটাক্ষ। বছর পঞ্চাশের ঋজু সামন্তই তার একমাত্র ‘ফাদার ফিগার’। এছাড়া সমস্ত পুরুষকেই সে তাচ্ছিল্যের দৃষ্টিতেই দেখে। তার জীবনে প্রেম ক্ষণস্থায়ী, বরং একাকীত্বই তার চিরসঙ্গী। তার ব্যক্তিগত ক্ষত ও সামাজিক সংঘাতের তীব্র উপলব্ধি তাকে বয়ে নিয়ে চলে অজানা গন্তব্যে। সে নিপীড়িত মানুষের জন্য ন্যায়কে প্রতিষ্ঠা করতে চায়। কিন্তু আমাদের সমাজের বিচিত্র বহুস্তরীয় সাদা-কালোর ক্যালাইডোস্কোপ, ন্যায়-অন্যায়ের বিভাজন রেখাকে অস্পষ্ট করে দেয় বারে বারে।
বাংলায় লেখা প্রথম ফরেনসিক অ্যানথ্রোপলজিক্যাল থ্রিলার সিরিজ, আয়েশা সুলতানা। হাতে তুলে নিন। আর তৈরি হোন সেই কঠিন সত্যের মুখোমুখি হতে, যেখানে বিজ্ঞান এবং বিবেক হাতে হাত রেখে অন্ধকারতম অপরাধের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ায়।
...