অসুখ করেছে অমিয়র চোখে। জুটেছে হাই পাওয়ারের চশমা। তাতে মানুষ যত না স্পষ্ট হল তার চেয়ে বেশি প্রকট হয়ে উঠল না-মানুষের অবয়বগুলো। অমিয় তাদেরই দেখতে শুরু করে যাঁরা আর জীবিত নেই। মানুষের মৃত্যু দেখতে শুরু করল অমিয়। ফলেও গেল সব কথা। আশেপাশের সকলে ভয় পেতে শুরু করল অমিয়কে। একটা টিভি চ্যানেলের সামান্য হাউজ স্টাফ সে। অপয়া বদনামে কাজ বাতিল হল তার।
পাবক, সুদেষ্ণা, শ্রুতি, সুজয় সকলে না চাইলেও একজন কলিগের বিয়েতে গাড়ি ভাড়া করে অমিয়কে নিয়ে গেল পশ্চিম মেদিনীপুর। কথা ছিল না। তবু সে রাতেই কলকাতা ফিরতে বাধ্য হল সকলে। কিন্তু ফিরতে পারল না। পথের জঙ্গলে মারণকুঠার হাতে দাঁড়িয়ে ছিল নিঠুর নিয়তি। ইহলোক পরলোকের জাল আগেই ছিন্ন হয়েছিল। এবার আর-জন্মের প্রেম-ভালোবাসা, লোভ-প্রতিশোধ সব কিছু ভিড় করে দাঁড়াল অমিয় ও চার সঙ্গীর সামনে। হাতছানি দিল আদিবাসীদের অপদেবতা।
সবাই জানে অমিয় মানেই মৃত্যু। সত্যিই কি তাই?সকলের জীবন বাঁচিয়ে ইহজীবনের অপবাদ খণ্ডন কীভাবে করবে অমিয়?
-
Weight400 g
-
No. of Pages208
-
BindingHardcover
-
Publishing Year2025
-
Publisher