এই উপন্যাস সম্পর্কে স্বয়ং সুনীল গঙ্গোপাধ্যায় লিখেছিলেন, ‘‘উপন্যাসটি লেখার সময় প্রথম পরিচ্ছেদটি যখন লিখে জমা দিয়েছি তখন জানিই না কাহিনীটি কোন্ দিকে যাবে। শুরু করেছি দীপু নামের একটি বেকার যুবককে দিয়ে।... আমি বিস্মিতভাবে লক্ষ করলাম, সে চাকরি পেলেও নিতে চায় না। এ আবার কি রকম বেকার ছেলে? দীপু আমার সঙ্গে তর্ক করে। আমি তাকে যে-পথে চালাতে চাই, সে কিছুতেই সেদিকে যাবে না। এক পরিচ্ছেদে আমি দীপুকে পাঠালাম শান্তার বাড়িতে অনেকদিন দেখা হয়নি। কিন্তু পরিচ্ছেদটি শেষ করবার পর টের পেলাম, দীপুর সঙ্গে শান্তার দেখা হয়নি...’’
হ্যাঁ, এই হল দীপু, এই আশ্চর্য উপন্যাসের নায়ক, নিজের চরিত্রের দুর্ধর্ষ গতিবেগে লেখকের কল্পনাকেও যে করে নিয়ন্ত্রিত। সেই দীপুর জীবন, তার প্রেমিকা শান্তার জীবন, তাদের চারপাশে ছড়ানো বহু বিচিত্র মানুষের বিশাল বর্ণময় জীবন, দীপুর চরিত্রের একটি রূপান্তরপর্ব, তার অন্য মানুষ হয়ে ওঠার অনন্য ঘটনা-পরম্পরা— এই নিয়েই ‘জীবন যে রকম’।
-
BindingHardback
-
Pages236
-
Weight320
-
Publisher