আজকের সফল, খ্যাতিমান ও জনপ্রিয় ঔপন্যাসিক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের যে-উপন্যাসের মধ্য দিয়ে আত্মপ্রকাশ ঘটেছিল, সেই উপন্যাসের নাম ‘ঘুণপোকা।’ প্রথম উপন্যাসেই তিনি যে প্রতিষ্ঠার মহত্তম সম্ভাবনা নিয়ে আবির্ভূত হয়েছিলেন, বিষয়ে ও ভঙ্গিতে রেখেছিলেন তুমুল স্বাতন্ত্র্যের স্পষ্ট ও প্রবল চিহ্ন— সেই ঐতিহাসিক মূল্যের দিক থেকে ‘ঘুণপোকা’ চিরকালের একটি অবশ্যপাঠ্য রচনা হিসেবে গণ্য হবার যোগ্য। অখণ্ড অবসরসম্পন্ন, বেকার, টেরিলিন-টাইয়ের নির্মোক থেকে মুক্ত, সদ্য একত্রিশ-পূর্ণ হওয়া এক মানুষ, অল্প কিছুদিন আগেও যে ছিল উচ্চাশাসম্পন্ন এক বড় চাকুরে, ক্যারিয়ার এবং ভোগই ছিল যার জীবনের স্থির এবং একমাত্র লক্ষ্য, কেমন করে নৈরাশ্য এবং নির্বেদের অন্ধকার অতলে ডুবতে-ডুবতে ধীরে-ধীরে লক্ষ্যান্তরিত হল জীবনচর্চা এবং ভালবাসায়, উত্তীর্ণ হল এক নতুন জীবনে— তরুণ লেখক শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায় তাঁর এই প্রথম উপন্যাসে এক প্রবীণ ঔপন্যাসিকের নৈপুণ্য নিয়ে তা চিত্রিত করেছেন।
মাঝে মাঝে বেয়ারা এবং দু’-একজন শিক্ষানবিশ ড্রাফটসম্যানকে সে মজুমদারের মার্কামারা গালাগালগুলো একই ভঙ্গিতে এবং সুরে উপহার দিয়েছে এবং এমনকী তার এ রকম বিশ্বাস এসে যাচ্ছিল যে,পুরনো এইসব গালাগালগুলো বহু ব্যবহারে শক্তিহীন হয়ে গেছে, এগুলোর আর তেমন জোর তেজ নেই।
আরও কিছু নতুন রকমের গালাগাল আবিষ্কৃত না হলে
আর চলছে না। তবু মজুমদারের কথাটা কানে এলে দু’একদিন একটু ভাবল শ্যাম......"
-
Weight300 g
-
No. of Pages84
-
BindingHardcover
-
Publishing Year1967
-
Publisher