বয়ঃসন্ধিতে পৌঁছনো ঋভু আচমকাই আলমারির লুকোনো দেরাজে আবিষ্কার করে তার বাবার লেখা একটা পুরোনো ডায়েরি। ডায়েরির প্রতিটি অক্ষরমালায় আচ্ছন্ন হয়ে সে স্বপ্ন দেখে, একদিন বাবার মতো প্রেমপত্র লিখবে। তার প্রেমিকা তিতি
রের জন্যে মনে মনে নিরন্তর চিঠি লিখতে থাকে সে। কিন্তু শেষপর্যন্ত তিতির কি পাবে সেই চিঠি?
কেন বাবা ঋভুকে মস্ত ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চায়? কোন গভীর রহস্য লুকিয়ে আছে এর পেছনে?
হেমন্তের পাতাঝরা বিকেলের মতো বিষণ্ণ-সুন্দর উপন্যাস 'অসমাপ্ত প্রেমপত্র', যা পাঠক-মনে ছড়িয়ে দেয় এক আশ্চর্য সুখ-কষ্ট।
'যখন সন্ধ্যা নামে' মুখ্যত প্রেমের উপন্যাস হয়েও বিগত শতকের আট-নয় দশকের গ্রাম-মফস্সলের সমাজ ও রাজনীতির এক আশ্চর্য দলিল।
পুঁজিবাদসর্বস্ব রাজনীতির বিপ্রতীপে শ্রেণিহীন সমাজের স্বপ্ন দেখতে শুরু করেছিল একদল মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষ। ঈশ্বরের সামনে মাথা খুঁড়ে না মরে তারা নিজের পরিশ্রমে গড়তে চেয়েছিল চারপাশের দুনিয়া।
লোভ ও স্বার্থপরতার ঊর্ধ্বে উঠে শেষপর্যন্ত নতুন সমাজ গঠনের সেই লক্ষ্যে পৌঁছতে পারবে কি তারা?
...